বেসরকারি সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংককে (এসআইবিএল) রক্ষার দাবি জানিয়েছেন ব্যাংকটির সাবেক পরিচালকদের কয়েকজন ও শেয়ার হোল্ডাররা। রোববার (১১ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে শেয়ার হোল্ডাররা দাবি করেন, ২০১৭ সালে জোরপূর্বক পরিচালনা পর্ষদ ও মালিকানা পরিবর্তন করা হয় এসআইবিএলের। এরপর থেকে নামে বেনামে কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে পাচার করেছেন এস আলম গ্রুপের মালিক সাইফুল আলম ও তার সহযোগীরা। এর ফলে ব্যাংকটি হুমকির মুখে পড়েছে। বিভিন্ন সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েও ব্যাংকের নিয়মিত কার্যক্রম চালাতে হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন শেয়ার হোল্ডার তোফাজ্জল হোসেন তপু। তিনি বলেন, ২০১৭ সালে শরিয়াহর ভিত্তিতে পরিচালিত এসআইবিপিলসির মালিকানা জোরপূর্বক তৎকালীন পরিচালনা পর্যদ সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দখল করে নেয় এস আলম গ্রুপ। ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের চরমভাবে হেনস্তা করে এক দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নরের যোগসাজশে অবৈধভাবে রাতের আঁধারে ব্যাংকটির মালিকানা পরিবর্তন করা হয়। এরপর গত সাত বছর এস আলম ও তার সহযোগীরা ও বর্তমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের অবৈধ পন্থায় নামে-বেনামে ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে। তাদের সীমাহীন দুর্নীতির কারণে শুধু এসআইবিএলই নয়, বরং সম্পূর্ণ আর্থিক খাত আজ হুমকির সম্মুখীন।
তিনি আরো বলেন, এই ব্যাংকটিকে অর্থ পাচারকারীদের কবল থেকে পুনরুদ্ধার করে ব্যাংকের বর্তমান পর্ষদ ভেঙে দিয়ে ব্যাংকটির প্রকৃত মালিক, প্রতিষ্ঠাতা উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ের একটি নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের মাধ্যমে ব্যাংকটি মালিকানা হস্তান্তর করা প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল হক, সাবেক পরিচালক আনিসুল হক, আসাদুজ্জামান, সুলতান মাহমুদ চৌধুরী, আব্দুর রহমান, আবুল বসর ভূঁইয়াসহ সাধারণ ও উদ্যোক্তা শেয়ারধারীরা।










