গত আগস্ট মাসে
দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য
অনুযায়ী, প্রবাসীরা এ মাসে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ২৬ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকার সমান (প্রতি ডলার ১২০ টাকা হিসাবে)। গত বছরের
আগস্টে এ পরিমাণ ছিল ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ডলার। অর্থাৎ এ বছরের আগস্টে রেমিট্যান্সে
প্রায় ৩৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
রেমিট্যান্সের এ প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। আগস্ট মাসে
রিজার্ভের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। যেখানে জুলাই মাসে রিজার্ভ থেকে ১৩০ কোটি বা ১
দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার ক্ষয় হয়েছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের
তথ্য অনুযায়ী, ৩১ জুলাই দেশের রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার
৪৮ কোটি ডলার। যা পরবর্তী মাসে বেড়ে ২ হাজার ৫৯ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের
কর্মকর্তারা জানান, ড. আহসান এইচ মনসুর গভর্নর হিসেবে যোগদানের পর ডলারের বিনিময়
হার বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ব্যাংক খাতে প্রতি ডলার ১২০ টাকা দরে লেনদেন হচ্ছে।
যার ফলে রিজার্ভের ক্ষয় আপাতত বন্ধ হয়েছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক এখন আর রিজার্ভ
থেকে ডলার বিক্রি করছে না।
আগস্টের প্রথম তিন
দিনে দেশে মাত্র ৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। তবে ৫ আগস্টের পর থেকে
রেমিট্যান্স প্রবাহ অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। ৪ থেকে ১০ আগস্টের মধ্যে
প্রবাসীরা ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ডলার, ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ৬৫ কোটি ১৪ লাখ ডলার এবং
১৮ থেকে ৩১ আগস্ট সময়ে ১০৮ কোটি ৭১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।
উল্লেখ্য, রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষস্থানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। ব্যাংকটি আগস্টে ৪০ কোটি ৫২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এনেছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড। যার মাধ্যমে ২৯ কোটি ডলার এসেছে।










