রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় হামলা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ চলছে। সকালে নওপাড়া ইউনিয়নের গোপালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও পানানগর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সংঘর্ষে ৯ জন আহত হয়েছে। সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের বাধা ও হুমকি দেয়ার অভিযোগও করছেন পক্ষ-প্রতিপক্ষ। এ নিয়ে একজনকে আটক করেছে র‍্যাব।

আহতরা হলেন গোপালপুর গ্রামের আজের, আজাদ, শহিদুল, শুকচান, মিঠু, আব্দুর রাজ্জাক ও সান্টু এবং পানানগর গ্রামের আজিজুল ইসলামের ছেলে শিহাবসহ অজ্ঞাত একজনের নাম জানা যায়নি। আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল ও দুর্গাপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে নান্দিগ্রাম দারুস সালাম আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোটারদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়ার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে র‍্যাব। আটককৃত ব্যক্তি নান্দিগ্রামের নবীর উদ্দিনের ছেলে আতাহার আলী (৪২)।

সকাল থেকে কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করে দেখা গেছে, চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নির্বাচনী এজেন্ট থাকলেও ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের এজেন্ট ছিল না। সকাল ৮টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত তিনটি কেন্দ্রে মাত্র ২৫ শতাংশের মতো ভোটগ্রহণ হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার স্বীকৃতি প্রামাণিক বলেন, সকাল থেকেই সবগুলো কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে। দুই-একটি কেন্দ্রে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, র‍্যাব, পুলিশ ও বিজিবিসহ যথেষ্ট পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচনী মাঠে কাজ করছে। আশা করি কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হবে।