বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভোক্তা পর্যায়ে ফার্নেস অয়েলের দাম প্রতি লিটারে ১৮ টাকা ৮৫ পয়সা বৃদ্ধি করেছে। ফলে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা, যা আগে ছিল ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা।
আজ সোমবার জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন এই মূল্য মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।
বিইআরসি সচিব মো. নজরুল ইসলাম সরকারের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ২২(খ) ও ৩৪ ধারা অনুযায়ী এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।
কমিশন জানায়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ফার্নেস অয়েলের দাম পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব দেয়। পরবর্তীতে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এবং পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড বিপণন ও পরিবহন ব্যয় সমন্বয়ের প্রস্তাব জমা দেয়।
এ বিষয়ে ১৫ মার্চ গঠিত একটি কমিটি প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করে। পরে মার্চ মাসে প্রকাশিত পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের গড় প্ল্যাটস মূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ওঠানামা বিবেচনায় নিয়ে এপ্রিল মাসে মূল্য সমন্বয়ের সুপারিশ করা হয়।
গত ১৮ মে অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় কমিশন নতুন মূল্য কাঠামো চূড়ান্ত করে।
বিপিসি দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি), শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য গ্রাহকদের কাছে ফার্নেস অয়েল সরবরাহ করে থাকে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ফার্নেস অয়েলের দাম ছিল প্রতি লিটার ৭০ টাকা ১০ পয়সা। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফার্নেস অয়েল ও জেট এ-১ জ্বালানির মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা বিইআরসি-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়।










