দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) বৈষম্য দূর করতে জরুরি ভিত্তিতে ছয়টি বিষয় বিবেচনায় নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে দুদক সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (ডুসা)। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুদক চেয়ারম্যানের কাছে ডুসা সভাপতি মো. নাজমুচ্ছায়াদাত ও সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ কালাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ছয়টি দাবি তুলে ধরা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

দাবিগুলো হলো, দুদক আইনের ৩১ ধারায় সরল বিশ্বাসে কাজ করতে গিয়ে যেসকল প্রশাসনিক ব্যবস্থা (ডিপি, শোকজ, সতর্কীকরণ ইত্যাদি) গৃহীত হয়েছে তা প্রত্যাহারে অফিস আদেশ জারি করতে হবে।

বিধি বর্হিভূতভাবে (দুদক চাকরি বিধিমালা, ২০০৮) প্রেষণে নিয়োগপ্রাপ্ত ও বর্তমানে কর্মরত (সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের) কর্মকর্তাদের প্রেষণ বাতিল ও অবমুক্তি প্রদানের মাধ্যমে মাতৃসংস্থায় প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে হবে।

বৈষম্যমূলকভাবে ও বিধিবর্হিভূতভাবে কমিশনের যোগ্য পদোন্নতিবঞ্চিত সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরকে পদোন্নতি ও পদায়ন করতে হবে।

অভিযোগ যাচাই বাছাই কমিটির (যাবাক) আহ্বায়ক পদে দুদকে কমপক্ষে ১০ বছর অনুসন্ধান ও তদন্ত করেছেন এমন ব্যক্তিকে পদায়ন করতে হবে। এর সদস্যদের ক্ষেত্রেও উক্ত নীতি প্রয়োগ করতে হবে।

দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেলে দুদকের অনুসন্ধান ও তদন্ত কাজে অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের পদায়ন করতে হবে।

উপসহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিনের আবেদন পুনর্বিবেচনা করে অপসারণের দিন থেকে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হবে।

বেতন কাঠামোর সকল ধাপে পদক্রম সৃজন করে যুগোপযোগী অর্গানোগ্রাম পাশের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুদক সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের দ্বিতীয় মেয়াদের (আগস্ট ২০২৪ থেকে আগস্ট ২০২৬) জন্য ৫৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।