সরকারি কর্মচারীরা কোন ফরম্যাট বা অভিন্ন ফরমে সম্পদের তথ্য বা বিবরণী
সরকারের কাছে দাখিল করবেন, তা ঠিক করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাঁচ সদস্যের কমিটির
সভাপতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের
শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব আমেনা বেগম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ কমিটি
গঠন করা হয়।
কমিটির সদস্যসচিব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগের
অতিরিক্ত সচিব। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন (যুগ্মসচিব পদমর্যাদার নিচে নয়) মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগ থেকে একজন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে একজন, অর্থ বিভাগ থেকে একজন এবং
বাংলাদেশের মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক থেকে একজন প্রতিনিধি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কমিটি আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী
দাখিলের ফরমেট প্রণয়নে সুপারিশ পেশ করবে।
মোখলেস উর রহমান বলেন, কমিটিকে একটি ন্যূনতম সময় দেয়া হবে। সংক্ষিপ্ত
সময় দেয়া হবে। এ সময় সাত দিনের বেশি নয়। কমিটি একটি ফরম্যাট তৈরি করবে। সাত দিন পর
ফরম অফিসে অফিসে পৌঁছানোর জন্য আরো সাত দিনের মতো সময় নেয়া হবে। বলে দেয়া হবে, কে কোথায়
কবে জমা দেবেন। বছরে একবার এ বিবরণী জমা দিতে হবে। ফরমটির ভাষা হবে বাংলা।
গতকাল রোববার (১ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব
মোখলেস উর রহমান স্বাক্ষরিত এক বার্তায় সব সরকারি কর্মচারীকে সম্পদের তথ্য বা বিবরণী
দাখিল করার নির্দেশ দেয় সরকার।
আজ সচিবালয়ে মোখলেস উর রহমান বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে এটি একটি বার্তা।
আয়করের বিবরণী সবাই জমা দেন না। যাদের করযোগ্য আয় আছে, তারাই কেবল দেন। আর এখন যাদের
কোনো সম্পদ নেই, তাদেরও তথ্য বা বিবরণী জমা দিতে হবে। এটি জনস্বার্থে দিতে হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, এ বিবরণী জমার পর দুদক
বিবেচনা করবে কাকে সম্পদের হিসাবের জন্য তলব করা হবে।










