আগামী ১১ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে ওয়ার্ল্ড গভার্নমেন্ট সামিট ২০২৫। সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতৌম গত ১৩ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ প্রেরণ করেছেন। এ প্রেক্ষিতে প্রধান উপদেষ্টা সম্মেলন অংশগ্রহণ করবেন মর্মে সম্মতি প্রদান করেছেন। রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মুখপাত্র জনকূটনীতি অনুবিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আলম।

মুখপাত্র বলেন, আগামী ১১-১৩ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ওয়ার্ল্ড গভার্নমেন্ট সামিট ২০২৫ অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত সম্মেলনে এ অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতৌম গত ১৩ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টাকে একটি আমন্ত্রণ প্রেরণ করেছে। প্রধান উপদেষ্টা সম্মেলন অংশগ্রহণ করবেন মর্মে সম্মতি প্রদান করেছেন।

ওয়ার্ল্ড গভার্নমেন্ট সামিট ২০২৫ শীর্ষক সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে বৈশ্বিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে প্রধান উপদেষ্টার চিন্তা এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও, একই সময়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।

ওয়ার্ল্ড গভার্নমেন্ট সামিট ২০২৫ এর আয়োজক কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে বিভিন্ন সেশনে বক্তব্য প্রদানের জন্য প্রধান বিচারপতি; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা; প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত; এবং নির্বাহী চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব), বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (বিডা) আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

বন্ধুপ্রতিম দুটি দেশ বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে ঐতিহাসিকভাবে সুসম্পর্ক বিদ্যমান। অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং অভিন্ন রাজনৈতিক স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে এ সম্পর্ক ক্রমশ সুসংহত হয়েছে। দেশটিতে বসবাসরত বড়সংখ্যক বাংলাদেশী প্রবাসীরা রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।