দেশের সব নগর, অঞ্চল ও গ্রামের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) নেতারা। ‘নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে পরিকল্পনাবিদদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বক্তারা। বিআইপির সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বিআইপির সভাপতি পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান।
বিআইপির পক্ষ থেকে বলা হয়, গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মাধ্যমে একটি নব যুগের সূচনা হয়েছে। এরই মধ্যে দেশ পরিচালনা ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের উদ্দেশ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। একটি সাম্য ও ন্যায্যতাভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত, শোষণহীন, জবাবদিহিমূলক ও জ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পিত নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে রাষ্ট্রের সব অংশীজনের ন্যায় পরিকল্পনাবিদদের জাতীয় পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠনে অব্যাহত সহযোগিতা প্রদানে বিআইপি প্রস্তুত।
নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠনে বেশকিছু প্রস্তাব দিয়েছে বিআইপি। বিআইপি বলেছে, দেশের সব এলাকার জন্য একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা জরুরি। এ পরিকল্পনা বিবেচনায় নিয়ে সব ধরনের উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি যেসব সংস্থা বর্তমানে উন্নয়ন কর্মযজ্ঞের সঙ্গে জড়িত সেসব প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন জরুরি। এছাড়া দেশের অর্থনৈতিক ও স্থানিক (নগর, অঞ্চল ও গ্রামীণ) উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান তৈরি করা দরকার।
বিআইপি নেতাদের প্রত্যাশা, সব ধরনের নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মসূচি হতে হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক। সব পর্যায়ে অংশীজন, পেশাজীবী ও জনসাধারণের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি অবকাঠামোসহ ভৌত ও স্থানিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বর্তমানে চর্চিত বিশেষ অ্যাডহক বিশেষ প্রকল্পভিত্তিক উন্নয়ন পদ্ধতি বাদ দিয়ে স্থানিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।










