গত ২২ আগস্ট বণিক বার্তার প্রথম পাতায় প্রকাশিত ‘গোপালগঞ্জের ইকোনমিক হিটম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত’ শীর্ষ সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। তানজিব আলম অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের পক্ষে ব্যারিস্টার কাজী এরশাদুল আলম স্বাক্ষরিত প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, প্রকাশিত প্রতিবেদনে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির আনুকূল্য পেয়েছেন। বিভিন্ন সময় এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয় থেকেও নানা সুযোগ-সুবিধা তিনি বাগিয়ে নিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এটিকে কোনো প্রকার প্রমাণ ছাড়াই বানোয়াট খবর হিসেবে দাবি করা হয়েছে প্রতিবাদে। এতে আরো বলা হয়, বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিও বা কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজে নাফিজ সরাফাত কোনোভাবেই জড়িত ছিলেন না এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ নেই।
নাফিজ সরাফাতকে মাফিয়া হিসেবে সম্বোধন করার বিষয়টিকে অপমানজনক উল্লেখ করে নানান ব্যক্তির সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল উল্লেখ করে প্রতিবাদে বলা হয়েছে, কোনো প্রকার প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের তথ্য মিথ্যার সমান এবং কারো সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকা কোনো বেআইনি কাজ নয়। প্রতিবাদপত্রে নাফিজ সরাফাত কিংবা তার অফিসের কারো সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
আনজুমান আরা শহীদকে কৌশলে সাউথইস্ট ব্যাংকের পরিচালক বানানোর বিষয়ে প্রতিবাদে বলা হয়েছে, তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের রেগুলেশন অনুসারে নিয়োগপ্রাপ্ত। ইউনিক মেঘনাঘাট পাওয়ারে নাফিজ সরাফাতের কম বিনিয়োগ করেও আকর্ষণীয় মুনাফা পাওয়ার বিষয়টিকে তার কোনো প্রকার মন্তব্য না নিয়ে মিথ্যা তথ্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে বলে প্রতিবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদকের বক্তব্য: যথাযথ তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। নাফিজ সরাফাত তার প্রভাব খাটিয়ে যেসব সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন সেগুলো সম্পর্কে ওয়াকিবহাল সূত্রের তথ্য এখানে ব্যবহার করা হয়েছে। তাছাড়া নাফিজ সরাফাতের বক্তব্য নেয়ার জন্য তাকে ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পক্ষ থেকে গত ১ সেপ্টেম্বর নাফিজ সরাফাত এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে, যা বণিক বার্তায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের সত্যতাকে সমর্থন করে।










