কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন পদত্যাগ করেছেন। আজ রোববার (১১ আগস্ট) সকালে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আমাকে উপাচার্যের পদত্যাগপত্রের একটি কপি মেইল করেছেন।

পদত্যাগপত্র সূত্রে জানা গেছে, ড. এএফএম. আবদুল মঈন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে উপাচার্যের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার পতনের পর ছয়দিনে এ নিয়ে দেশের অন্তত ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা পদত্যাগ করলেন। পদত্যাগ করা উপাচার্যের তালিকায় গতকাল (শনিবার) যুক্ত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক মাকসুদ কামাল এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

ঢাবি ও শাবিপ্রবি ছাড়া আরো সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদত্যাগ করেছেন। এ তালিকায় রয়েছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

৬ আগস্ট পদত্যাগপত্র জমা দেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া। একই দিন একই সিদ্ধান্ত নেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ হোসেন। এ দুই উপাচার্য তাদের পদত্যাগপত্রে কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

৭ আগস্ট পদত্যাগ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. নূরুল আলম। তিনি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। ৮ আগস্ট পদত্যাগ করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শেখ আবদুস সালাম। তারা শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে পদত্যাগ করার কথা জানিয়েছেন। 

হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম কামরুজ্জামান ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাসিবুর রশীদ পদত্যাগ করেন ৯ আগস্ট।