ভোলায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ৩৬ পুলিশের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। গতকাল দুপুরে ভোলা সদর উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারক মোহাম্মদ আলী হায়দার কামালের আদালতে এ মামলা করেন নিহত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুর রহিমের স্ত্রী খাদিজা বেগম।
মামলায় আসামি হিসেবে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরমান হোসেন ও সদর মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনিস উদ্দিনসহ ৩৬ পুলিশ সদস্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরো ২৫-৩০ জনকে।
বিচারক এ মাসের ৮ আগস্টের মধ্যে ভোলা সদর থানার ওসিকে নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট ও ময়নাতদন্ত রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় আলামতের কাগজপত্র আদালতে জমা দেয়ার আদেশ দেন।
বাদী পক্ষের আইনজীবী ড. অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেত ও অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন আহমেদ প্রিন্স মামলা দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে ভোলায় পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষের সময় গুলিতে নিহত ভোলা জেলা ছাত্রদল সভাপতি নুরে আলমের মৃত্যুর প্রতিবাদে জেলা বিএনপির ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল দুপুরে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল দুপুর ১২টায় ভোলা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় বিএনপির ১০ সদস্যের নেতাদের পক্ষ থেকে স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় হরতাল প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
এ সময় তিনি নিহত নূরে আলম ও আব্দুর রহিমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বলেন, আমরা ভোলার সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ীদের অসহায়ত্বের কথা চিন্তা করে সকাল-সন্ধ্যা ঘোষিত হরতালকে অর্ধদিবসের মধ্যেই প্রত্যাহার করে নিয়েছি। এ হত্যার বিচার বাংলার মাটিতে কোনো একদিন হবেই হবে।
তিনি আরো
বলেন, জনগণের দাবি
নিয়ে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন।
দ্রুত দায়ী পুলিশ সদস্যদের আইনের আওতায় আনা হোক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ
উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, সামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন প্রমুখ।










