ভারত ও চীনসহ সব দেশের সঙ্গে আন্তরিক ও ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রাখতে চান অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। গণমাধ্যমের সঙ্গে গতকাল মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিটি পদক্ষেপে স্বচ্ছতা ও সততা বজায় রাখা হবে জানিয়ে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক কাজ, আমাদের স্বার্থ রক্ষা করা।’
তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ্য বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা। আমাদের নীতি হলো জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই এবং কারো সঙ্গে শত্রুতা চাই না।’
সংখ্যালঘু ইস্যুতে তৌহিদ হোসেন জানান, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শিগগিরই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এছাড়া তিনি আশা প্রকাশ করেন যে এক সপ্তাহের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত এবং কেবল তাদের কাছ থেকে অনুরোধ পেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে।’
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের তাৎপর্য তুলে ধরে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘উভয় দেশের মধ্যে একটি সুদৃঢ় ও গভীর বন্ধন রয়েছে। আমরা চেষ্টা করব যে সম্পর্কটা শুধু দেশের মধ্যে না, সরকারের মধ্যে না, দুটো দেশের সার্বিক যে অস্তিত্ব তার মধ্যে মানুষ খুব গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ যেন ভাবে, ভারত আমাদের খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু, আমরা এটাই চাই।’
সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আজ কূটনীতিকদের ব্রিফ করবেন নতুন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। ব্রিফিংয়ের বিষয়বস্তু সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘যারা আসবেন কথা শুনতে তারা পররাষ্ট্র সচিব ও আমার মতো লোক। তারা জানেন বিষয়টা। ওটা নিয়ে আপনাদের কনসার্ন হতে হবে না যে আমাকে বলতে হবে যে আগে যেটা বলেছি মিথ্যা বলেছি। তারা জানেন যে পরিবর্তন একটা এসেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ন্যারেটিভ পরিবর্তন হয়।’










