সোরিয়াসিস ত্বকের দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ত্রুটিসংশ্লিষ্ট রোগ। এটি ছোঁয়াচে নয়। জিনগত প্রবণতা, সংক্রমণ, মানসিক চাপ, ত্বকে আঘাত, শুষ্ক আবহাওয়া, ধূমপান ও কিছু ওষুধের কারণে এর উপসর্গ বাড়তে পারে। এ রোগে ত্বকে লালচে বা বেগুনি খসখসে দাগ, রুপালি আঁশ, চুলকানি ও ব্যথা দেখা দেয়। কারো কারো নখ ও অস্থিসন্ধিও আক্রান্ত হয়। সোরিয়াসিস পুরোপুরি নিরাময়ের স্থায়ী চিকিৎসা না থাকলেও ওষুধ, মলম, ফটোথেরাপি ও প্রয়োজনে বিশেষায়িত চিকিৎসায় এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার, স্বাস্থ্যকর খাবার, ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং ধূমপান পরিহার উপকারী। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ বা খাদ্যাভ্যাসে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা উচিত নয়।
মানসিক চাপ ও শুষ্ক আবহাওয়ায় বাড়ে উপসর্গ
জিনগত প্রবণতা, সংক্রমণ, মানসিক চাপ, ত্বকে আঘাত, শুষ্ক আবহাওয়া, ধূমপান ও কিছু ওষুধের কারণে এর উপসর্গ বাড়তে পারে।
জিনগত প্রবণতা, সংক্রমণ, মানসিক চাপ, ত্বকে আঘাত, শুষ্ক আবহাওয়া, ধূমপান ও কিছু ওষুধের কারণে এর উপসর্গ বাড়তে পারে।










