বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে উষ্ণ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্কের প্রতিফলন আরো শক্তিশালী বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সম্পর্কে দেখতে চাই। দুই দেশের অর্থনীতির মধ্যে পারস্পরিক পরিপূরকতার স্পষ্ট সুযোগ রয়েছে। মালদ্বীপ বাংলাদেশকে উচ্চ মানের টুনা ও মৎস্যপণ্য সরবরাহ করতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে কৃষিপণ্য, মাংস ও অন্যান্য খাদ্যপণ্য এবং তৈরি পোশাক আমদানির সুযোগ রয়েছে।

যোগাযোগ ব্যবস্থাও উন্নত হচ্ছে। মার্চ থেকে মালদ্বীপের এয়ারলাইনে মালে ও ঢাকার মধ্যে সপ্তাহে দুটি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এর ফলে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়ার পাশাপাশি মালদ্বীপ ভ্রমণকারী বাংলাদেশী পর্যটকের সংখ্যাও বাড়ছে। পর্যটন খাতের উন্নয়নেও বিনিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে।

আমি আশাবাদী, ব্যবসায়ী পর্যায়ে আরো ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে মালদ্বীপ-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হতে পারে। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ায় পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধার ভিত্তিতে সহযোগিতার একটি শক্তিশালী দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক।