ঈদে আপনার অভিনীত জংলি সিনেমাটি মু্ক্তি পাচ্ছে। সিনেমাটি নিয়ে দর্শকের উদ্দেশে কী বলবেন?
দর্শককে স্বাগত জানাব দেশী গল্পে দেশী সিনেমা দেখার জন্য। সিনেমাটি বাংলাদেশের বাস্তব ঘটনা থেকে নির্মিত। জংলি বর্তমান সময়সাপেক্ষ একটি সিনেমা। এর গল্প আমাদের সবার নজরে আসা উচিত। এমন গল্প আমাদের চোখের সামনে পড়লেও কোনো কোনো সময় এড়িয়ে গেছি। আমরা সিনেমার মাধ্যমে সে বিষয়ই তুলে ধরতে চেয়েছি। সিনেমাটি একেবারে আমাদের নিজেদের গল্প।
জংলি দর্শক চাহিদা কতটুকু পূরণ করবে বলে আপনার মনে হয়?
আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে সিনেমার গল্পটা সুন্দরভাবে দর্শককে দেখানো। আমরা যে অনুভূতি আর ভালোবাসা নিয়ে সিনেমাটি নির্মাণ করেছি অথবা গল্পটাকে এতদিন ধরে বিশ্বাস করেছি, দর্শক সিনেমাটির সঙ্গে কানেক্ট হতে পারলে আমার মনে হয় সেটা আমাদের টিমের জন্য বড় একটা সাকসেস হবে।
জংলি সিনেমার অভিনয় অভিজ্ঞতা যদি শেয়ার করতেন।
আমি একজন অভিনেতা হিসেবে এ সিনেমায় অভিনয় করে ভিন্ন একটা অভিজ্ঞতা পেয়েছি। এতটা সময় নিয়ে একেবারে স্ক্রিপ্ট রাইটিংয়ের শুরু থেকে সিনেমাটির সঙ্গে জড়িত থেকেছি। এর আগে কোনো কাজ এভাবে করতে পারিনি। এটাই প্রথম কাজ যেখানে আমি স্ক্রিপ্ট শুরুর আগে থেকেই গল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সিনেমাটির ভালোমন্দ, ইমোশনাল অ্যাঙ্গেলগুলো খুব কাছে থেকে ভালো করার সুযোগ পেয়েছি। পরিচালকের সঙ্গে অনেক সময় কাটানোর সুযোগ পেয়েছি। আমরা নতুন কিছু দর্শককে ভিন্নভাবে দেখানোর চেষ্টা করেছি। ধার করা গল্প না এনে নিজেদের গল্প বলার চেষ্টা করেছি। জংলি আমার জীবনে বড় অক্ষরে লেখা থাকবে।
ঈদ কোথায় করেন?
ঢাকায়ই করা হয়। যখন দাদি বেঁচে ছিলেন তখন বাড়িতে গিয়ে ঈদ করতাম। দাদি মারা যাওয়ার পর সবার আলাদাভাবে ঈদ করা হচ্ছে।
এবারের ঈদ নিয়ে আপনার প্রস্তুতি কেমন?
এবারের ঈদের প্রস্তুতি আমার পরিবার নিচ্ছে। আমি একেবারেই পরিবারে সময় দিতে পারছি না। কারণ আমার প্রধান উপহার যেটা দর্শকের জন্য প্রস্তুত করেছি, সেটা যেন তাদের মাঝে তুলে ধরতে পারি এবং তাদের ইনভাইট করতে পারি সে চেষ্টা করে যাচ্ছি। ঈদের প্রস্তুতির কথা বললে আমার এবারের ঈদ প্রস্তুতি শূন্য। সব প্রস্তুতি সিনেমা নিয়ে।
ঈদে পরিবার নিয়ে বেড়াতে যাওয়া হবে কিনা?
এবারের ঈদে বেড়াতে যাওয়ার বিষয়টা একটু কঠিন হবে। কারণ ঈদে সিনেমা মুক্তি পেলে আমাদের অনেক দায়িত্ব থাকে। আমরা অপেক্ষা করি এবং দর্শকের অনুভূতি জানার চেষ্টা করি। দর্শক সিনেমাটি দেখে কেমন অনুভূতি পেলেন, সেটা সরাসরি জানার চেষ্টা করি। এবার অবশ্যই দর্শককে সময় দেব, তারপর বাকি সময় পরিবারের জন্য রাখা থাকবে।
ঈদের দিন আপনার সবচেয়ে প্রিয় খাবার কী? যেটা না খেলেই নয়?
আমার আম্মা সকাল বেলা সেমাই রান্না করেন। ছোট বেলা থেকে আজ পর্যন্ত সেটা দিয়েই ঈদ শুরু হয়।
আপনি ঈদের দিন কী পোশাক পরবেন?
পাঞ্জাবি।










