মিরপুর টেস্টে দিনের ৭০তম ওভার শেষে আলোকস্বল্পতার পর খেলা শুরু হয়েছে। খেলা বন্ধ হওয়ার আগে পর্যন্ত নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৭০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৭ রান করেছে বাংলাদেশ। ৯৬ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন সাদমান ইসলাম, অপর অপরাজিত ব্যাটার লিটন দাসের সংগ্রহ ৭ রান। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৯৮ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন সাদমান ইসলাম

এর আগে,ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে মিরপুরে পেসারদের জন্য শুরুটা ছিল দাপুটে। গতি আর সুইংয়ের মিশেলে সফরকারী পেসাররা স্বাগতিক ওপেনারদের বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেন। তবে পরে স্পিনাররা এসেও বেশ টার্ন পেয়েছেন উইকেটে। এসবের মাঝে ২ উইকেটে ৯৬ রান তুলে বাংলাদেশ প্রথম সেশনের খেলা শেষ করে।

ইনিংসে এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং করা সাদমান ইসলাম হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ৯৫ বলে। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার দশম এবং ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে চতুর্থ ফিফটি। ৫ চারে বাঁ-হাতি এই ওপেনার ইনিংস সাজিয়েছেন। শান্ত’র বিদায়ে বড় জুটির আশায় থাকা বাংলাদেশ হোঁচটই খেলো বলা যায়। দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল হক ও সাদমানের ৫৯ রানের জুটি এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

ওয়ারিকানের বলটি হালকা বাঁক খেয়েছে, তবে স্টাম্প ও ইম্প্যাক্ট লাইনে থাকা ডেলিভারি শান্ত’র পায়ে আঘাত করার পর ‍শুরুতে আম্পায়ার আউট দেননি। রোস্টন চেজ রিভিউ নিলে দেখা যায় বল মিডল-লেগ স্টাম্পে গিয়ে লাগত। ফলে ৪২ বলে ১৬ রান করে ফিরলেন শান্ত। এর আগে তানজিদ হাসান তামিম আউট হন জেইডেন সিলসের অফ স্টাম্পের বাইরে থাকা বলে কানা লাগিয়ে।

বলটি বেরিয়ে যাওয়ার আগমুহূর্তে কাভার দিয়ে খেলার চেষ্টা ছিল তানজিদের (৭)। কিন্তু ব্যাটের কানা স্পর্শ করে সেটি স্লিপে থাকা জাস্টিন গ্রিভসের হাতে জমা পড়ে। ৯ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর সাদমান ও মুমিনুল হকের জুটি স্বাচ্ছন্দ্যেই আগাচ্ছিল। কিন্তু এরপর ধৈর্যচ্যুতি ঘটল মুমিনুলের। হাওয়ায় ভাসানো বল ক্রিজ ছেড়ে মিড-অফে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। কিন্তু ব্যাটে ঠিকঠাক না হওয়ায় সেটি শামার জোসেফকে ফাঁকি দিতে পারেনি। মুমিনুল ৫১ বলে ২৮ রান এবং তার সঙ্গে সাদমানের জুটি ভাঙে ৫৯ রানে।