চাঁদপুরে ২০২৩-২৪ মৌসুমে ১০টি ফসলের ওপর কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা পেয়েছেন ১০ হাজার ১৬০ কৃষক। যদিও কৃষক বলছেন, এ সহায়তা অপ্রতুল। সহায়তা আরো প্রয়োজন। সহায়তাবঞ্চিত হয়েছেন বলেও অনেক কৃষক অভিযোগ করেন।
তাদের দাবি, সরকারি সহযোগিতা পেলে দেশের চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য উৎপাদন সম্ভব। চাহিদার তুলনায় কৃষকদের প্রণোদনা অপ্রতুল বিষয়টি স্বীকার করেছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলাভিত্তিক পুনর্বাসন সহায়তা পেয়েছে চাঁদপুর সদর উপজেলায় ১ হাজার ৫৮৫ জন, মতলব উত্তরে ২ হাজার ৮৫, মতলব দক্ষিণে ১ হাজার ৪৫০, হাজীগঞ্জে ১ হাজার ৬০০, শাহরাস্তিতে ৭২০, কচুয়ায় ১ হাজার ৯৫, ফরিদগঞ্জে ৭৬৫ ও হাইমচরে ৮৬০ জন কৃষক।
অন্যদিকে চলতি মৌসুমে গম আবাদে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা পেয়েছেন ৩০০ জন কৃষক, ভুট্টা আবাদে ১ হাজার ৮৫০, সরিষা আবাদে ৬ হাজার ৬০০, সূর্যমুখী আবাদে ৩০০, চিনা বাদাম আবাদে ১৬০, সয়াবিন আবাদে ৩০০, পেঁয়াজ আবাদে ২৪০, মুগডাল আবাদে ১৬০ ও মসুর ডাল আবাদে ১৫০ এবং খেসারি ডাল আবাদে ১০০ জন কৃষক।
সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নের কৃষক হামিদ মিয়া জানান, অনেক কৃষক সাহায্য থেকে বাদ পড়েছেন। যারা বাদ পড়েছেন তাদের সাহায্য দিতে সরকারের কাছে দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাফায়াত আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে কৃষি অধিদপ্তরের মাধ্যমে কৃষকদের সহযোগিতা করা হয়। সরকার কৃষির ওপর জোর দিচ্ছে। তাই আমাদের দেশ খাদ্য উৎপাদনে এগিয়ে যাচ্ছে। এগিয়ে যাওয়া অব্যাহত রাখতে কৃষককে বিভিন্নভাবে সহযোগিতার প্রয়োজন পড়ে। আমরা কৃষককে সেই সহযোগিতার বিষয়ে চাহিদাপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। আরো বেশি কৃষককে যেন সহায়তা করা যায়, সেজন্য মন্ত্রণালয়ের লিখিত সুপারিশ করা হয়েছে।’










