নোয়াখালীর মাইজদী বাজার আনসার ক্যাম্প সড়কে কামরুল হাসান যোবায়ের নামে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয় ‘কিশোর গ্যাং’। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যার দিকে যোবায়েরের পারিবারিক ভাড়া বাসার অদূরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যোবায়ের বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাদী নগর এলাকার মো. কামাল উদ্দিনের ছেলে এবং নোয়াখালী আইডিয়াল পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সিভিল বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে ‘ছোট ভাই-বড় ভাই’ ইস্যুতে রাকিব নামের এক কিশোরকে থাপ্পড় দেয় যোবায়ের। তারই জের ধরে রাকিব, তার দুই ভাই আহাদ ও পিয়াসসহ আরো কিছু কিশোর মিলে যোবায়েরকে মারধর করার জন্য পাহারা দিতে থাকে। এমন খবর পাওয়ায় যোবায়ের বাসা থেকে বের হচ্ছিলেন না।
সন্ধ্যায় লাদেন নামের এক বন্ধু যোবায়েরকে ফোন করে বাসা থেকে ডেকে নেয়। এর কিছুক্ষণ পর নোয়াখালী শিশু পরিবার সংলগ্ন এলাকায় রাকিব, আহাদ ও পিয়াসসহ আরো ১০-১৫ জন কিশোর যোবায়েরকে মারধর করে এবং একপর্যায়ে ছুরি দিয়ে আহত করে ফেলে রেখে যায়।
আরো জানা যায়, ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়রা যোবায়েরকে উদ্ধার করে প্রথমে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় নিহত যোবায়েরের বাবা কামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।










