গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, চীনের সাংহাইভিত্তিক এ আন্তঃসরকার সংস্থার সঙ্গে প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষক হিসেবে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত ১৬ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়াইকো প্রতিষ্ঠিত হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৈশ্বিক পর্যায়ে এআই উদ্ভাবনে সহযোগিতা বাড়ানো, তথ্যপ্রযুক্তিগত বৈষম্য কমানো এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই সংস্থাটির অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে এআইয়ের বিকাশে একটি উন্মুক্ত, ন্যায্য ও বৈষম্যহীন পরিবেশ গড়ে তোলা এবং মানবকল্যাণে নিরাপদ ও দায়িত্বশীলভাবে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক নীতিমালা ও সহযোগিতা জোরদারে কাজ করবে ওয়াইকো।

সংস্থাটি এআই খাতে বৈশ্বিক সুশাসন শক্তিশালী করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রযুক্তিটির সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও ন্যায়সংগত বিকাশ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে।

গত ১৬ জুলাই চীনের সাংহাইয়ে ২৯টি দেশের প্রতিনিধিদের প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে ওয়াইকোর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে রয়েছে চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, ইন্দোনেশিয়া, লাওসসহ বিভিন্ন দেশ।

প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেসসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী, জাতিসংঘ সনদের লক্ষ্য ও নীতিমালা অনুসরণ করে ব্যাপক পরামর্শ, যৌথ অবদান ও অভিন্ন সুবিধার ভিত্তিতে বৈশ্বিক এআই সহযোগিতা এগিয়ে নিতে জনকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করবে ওয়াইকো।