বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কর্মময় জীবন নিয়ে বগুড়ায় আলোকচিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটির উদ্যোগে গতকাল বিকাল ৫টায় শহীদ খোকন পৌর শিশু পার্কে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সাবেক পৌরমেয়র অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবুর রহমান।
দুই দিনব্যাপী প্রদর্শনীতে খালেদা জিয়ার পারিবারিক ও রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক দুর্লভ স্থিরচিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। পাশাপাশি তার জীবন ও রাজনৈতিক সংগ্রাম নিয়ে নির্মিত বিশেষ ডকুমেন্টারিও প্রদর্শিত হচ্ছে। সিলেট মহানগরীতেও চলছে আলোকচিত্র প্রদর্শনী। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে প্রদর্শনীটি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা বিএনপি সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদের সভাপতিত্বে সাবেক পৌরমেয়র মাহবুবুর রহমান খালেদা জিয়ার কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া অনবদ্য রাজনৈতিক চরিত্রের নাম। তিনি অত্যন্ত সৎ ও সাদাসিধে মানুষ ছিলেন। ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করেছেন। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি অত্যন্ত সফল ও সার্থক।’
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, সংগঠনের উপদেষ্টা মোজাম্মেল হক লালু, জেলা ছাত্রদল সভাপতি হাবিবুর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক এমআর হাসান পলাশ, শহর শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রিমন রহমান, বগুড়া প্রেস ক্লাব সেক্রেটারি কালাম আজাদ, সাবেক ছাত্রনেতা সাব্বির হুসাইন বাবলু, সৈয়দ আব্দুল গফুর, মোস্তফা হানিফ সোহাগ, বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম জনি, নাট্য সম্পাদক বিভান বাদল, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক ফাইজুল ইসলাম নীল।
আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে খালেদা জিয়ার জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ১২টি জেলায় এ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন চলছে। এরই মধ্যে ঢাকা, দিনাজপুর, বরিশাল, রংপুর, সিলেট, খুলনাসহ বেশ কয়েকটি জেলায় প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বগুড়া ও সিলেটের পর রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।










