মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার দশকানী ভূঁইয়াবাড়ি থেকে চাম্পাতলা পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সড়ক পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। পরের বছর ৬ ফেব্রুয়ারি কাজটি শেষ করা হয়। তবে এ বছর না যেতেই পঞ্চসার ইউনিয়নের দশকানী, ভূঁইয়াবাড়ি ও কাশিপুর এলাকায় সড়কে তৈরি হয়েছে গর্ত।

স্থানীয়রা বলছেন, সড়ক পুনর্নির্মাণের সময় পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনের কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই সড়ক ভেঙে পড়েছে। কাশিপুর, কেপিবাগ, দেওয়ান বাজার, রতনপুরসহ আশপাশের গ্রামের বাসিন্দারা এ সড়ক দিয়ে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন। মুন্সিগঞ্জ শহরের প্রবেশপথে প্রায় সময় যানজটের কারণে গুরুত্বপূর্ণ কাজে আসা বিভিন্ন উপজেলার মানুষও বিকল্প হিসেবে সড়কটি ব্যবহার করেন।

পথচারী ইব্রাহিম ব্যাপারী বলেন, ‘কয়েক দিন আগে এখানে একটি রিকশা উল্টে পড়ে। দুর্ঘটনা এড়াতে স্থানীয়রা গাছ ফেলে রাস্তা বন্ধ করে দেন। তবে কয়েক হাজার মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এর পরদিন সকালেই খুলে দেয়া হয় রাস্তাটি। কয়েকজন মিলে নিজ উদ্যোগে ইট ফেলে সাময়িকভাবে ঠিক করার চেষ্টা করলেও বৃষ্টির পানিতে তা টিকছে না।’

স্থানীয় বাসিন্দা হোসেন ব্যাপারী বলেন, ‘সড়কটি নির্মাণের সময় ড্রেনের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।’

আব্বাস শেখ নামে এক পথচারী বলেন, ‘সবসময় সড়কটি জলাবদ্ধ থাকে। ড্রেন ছাড়া সড়ক নির্মাণ করায় বছর না ঘুরতেই বেহাল হয়ে পড়েছে।’

এ ব্যাপারে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সালেহ হাসান প্রামাণিক বলেন, ‘দুই পাশে ঘড়বাড়ি থাকায় পানি জমে থেকে ২০০ মিটার সড়কের কার্পেটিং নষ্ট হয়ে গেছে। সড়কটি সংস্কারে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সড়ক সংস্কারের ব্যয় নির্ধারণ করে প্রকল্পও তৈরি করা হয়েছে।’