উজানের ঢল ও বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রমের আশংকা দেখা দিয়েছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, আগামী পাঁচদিন জেলার নদ-নদীর পানি আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করারও সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া আজ রোববার বিকালের তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার মাত্র ২৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন বেড়েছে। বর্তমানে জেলার প্রায় ৩৫টি স্থানে নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে ২০টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের এলাকার কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, গতকাল থেকে ধরলা নদীর পানি বাড়ছে। আমার এক বিঘা জমির সবজিক্ষেতে পানি উঠেছে। পানি আরও বাড়লে সব ফসল নষ্ট হয়ে যাবে।
সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের কালির আলহা চরের মমিনুল মিয়া জানায়, ব্রহ্মপুত্রের পানি বাড়ার সাথে ভাঙ্গন তীব্র হয়ে উঠেছে৷ এরই মধ্যে কয়েকটি বাড়ি সরিযে নেয়া হয়েছে।










