বাগেরহাট কারাগারে বন্দি কচুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বাবুর কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৩ মার্চ) দুপুরে কারাগারে থাকা মেহেদী হাসান বাবুর ব্যাগ তল্লাশি চালিয়ে ৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

অন্য তিনজন হলো, বাদল শেখ, ইউসুফ শিকদার ও জসিম সরদার।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, গেল ২৫ ডিসেম্বর গভীর রাতে পটুয়াখালীর পায়রা সেতুর টোলপ্লাজা থেকে মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ২৮ ডিসেম্বর থেকে একটি হত্যা মামলাসহ একাধিক রাজনৈতিক মামলায় তিনি কারাগারে রয়েছেন। অসুস্থতার কারণে খুলনায় চিকিৎসা শেষে ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকালে ফের কারাগারে নেয়া হয় তাকে।

এদিকে কারা অভ্যন্তরের একটি বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, তল্লাশি করে ১০০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। তবে জটিলতা এড়াতে মাত্র তিন পিস ইয়াবার বিষয় উল্লেখ করা হচ্ছে। কারা অভ্যন্তরে ইয়াবা প্রবেশের ক্ষেত্রে সিআইডির দায়িত্বে থাকা কারারক্ষী আনোয়ারের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে দাবি অনেকের। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টে বলা হচ্ছে, কারা অভ্যন্তরে একশ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে জানতে কারাগারের সামনে সাংবাদিকরা উপস্থিত হলে কারাগারের দায়িত্বশীল কেউ মুঠোফোন রিসিভ করেননি। পরে জেলা প্রশাসকের শরনাপন্ন হলে আধাঘণ্টা পর জেল সুপার শংকর কুমার মজুমদার মুঠোফোন রিসিভ করেন।

তিনি বলেন, ‘সন্দেহ হলে দায়িত্বরত কারারক্ষীরা আমাদের অবহিত করে। পরে বাবুর ব্যাগ তল্লাশি করে তিন পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে জেলকোড অনুযায়ী, বাবুসহ চারজনকে ডান্ডাবেড়ি দেয়া হয়েছে।’

তবে কারা অভ্যন্তরে কীভাবে ইয়াবা প্রবেশ করল এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দেননি জেল সুপার।