আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে নারী সংহতির আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় অংশ নেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মী কৃষ্ণকলি ইসলাম, নারী সংহতির কেন্দ্রীয় নেতা রেবেকা নীলা, গ্রন্থ প্রবর্তনার পরিচালক সীমা দাস সামু, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. ফাতেমা সুলতানা শুভ্রা, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম নেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সীমা আক্তার, বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্রের (বিএনএসকে) সংগঠক এনা সাইমুম রিমা, জাসদের নারী জোটের ঢাকা জেলার সভাপতি ফারজানা জামান দিবা, নারী পক্ষের সৈয়দা সালমা পারভীন, সামাজতান্ত্রিক নারী জোটের সভাপতি তানিয়া রব, আইনজীবী আবেদা গুলরুখ, অর্থনীতিবিদ সুজিত চৌধুরী, শৈশবের প্রতিষ্ঠাতা ফারহানা মান্নান, শিল্পী বড়ুয়া, গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির নেতা প্রবীর সাহা, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক পরিষদের সদস্য জুলহাসনাইন বাবু, সমগীতি সাংস্কৃতিক সংগঠনের অর্ক সুমন, আইনজীবী নাসিমা রহমান তুহিন প্রমুখ।

এ সময় সীমা আক্তার বলেন, গণঅভ্যুত্থানে নারীদের অংশগ্রহণ ব্যাপক মাত্রায় থাকলেও পরর্বর্তীতে নেতৃত্বে বা নীতিনির্ধারক অবস্থানে তাদের দেখা যায়নি। আর নারীগ্রন্থ প্রবর্তনার সীমা দাস সামু শ্রমজীবী নারীদের বেতন বৈষম্য ও স্ব-বেতনে মাতৃত্বকালীন ছুটি বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। এ ছাড়া নারীদের একক রাজনৈতিক দল গঠনের প্রস্তাব দেন এনা সাইমুম রিমা।

02

বক্তারা আরও বলেন, যৌন নিপীড়নের শিকার নারীদের জন্য বিদ্যমান আইন এবং বিচার প্রক্রিয়া পুরুষতান্ত্রিক। ফলে পাহাড়ে-সমতলে নারীর ওপর যৌন নিপীড়ন এবং সহিংসতা বন্ধের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। নারীর ওপর যেকোনো নিপীড়ন-নির্যাতন বিশেষ করে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে ‘ভিক্টিম ব্লেমিং’ বন্ধের দাবি তোলেন তারা। হাইকোর্ট প্রণীত যৌন নিপীড়ন-বিরোধী নীতিমালা ও অভিযোগ সেলের কার্যকর ও পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিও জানানো হয়।