ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীসহ সারাদেশে আজ থেকে পাওয়া যাবে সরকারী সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) সাশ্রয়ী মূল্যের পণ্য। ভ্রাম্যমাণ ট্রাক থেকে ভর্তুকি মূল্যে ভোজ্যতেল, চিনি ও মসুর ডাল কিনতে পারবেন সাধারণ ক্রেতারা। ১০ দিনব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে ২১ মে পর্যন্ত। এর মধ্যে শুক্রবার কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
টিসিবি সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর ২৬টি স্থানে পাওয়া যাবে সাশ্রয়ী এসব পণ্য। স্থানগুলো হরো উত্তরা ৪ নং সেক্টর খেলার মাঠ, উত্তরা আজমপুর বাসস্ট্যান্ড, আব্দুল্লাপুর মোড়, মিরপুর ১০ নং গোল চত্বর, মিরপুর ১২ ডিফেন্স কলেজ ২ নং গেট, মিরপুর ৬ কাঁচা বাজার, মিরপুর আনছার ক্যাম্প, দারুস সালাম রোড, মিরপুর-১ নিউ মার্কেট, শের ই বাংলানগর নির্বাচন কমিশন, ফার্মগেট খামারবাড়ি, টিসিবি ভবন কাওরান বাজার, আদাবর থানার সামনে, মোহাম্মদ পুর টাউন হল মার্কেট, আফতাব নগর মেইন গেট, মগবাজার মোড়, লালবাগ কেল্লার গেট, আরমানিটোলা খেলার মাঠ, রাজধানী মার্কেট, ভাটারা থানার সামনে, যাত্রাবাড়ি মোড়, দয়াগঞ্জ বাজার, ধলপুর কমিউনিটি সেন্টার, কুতুবখালী বড় মাদ্রাসা দক্ষিণ ৫০ নং ওয়ার্ড, কোনাপাড়া বাস স্ট্যান্ড দক্ষিণ ৬৪ নং ওয়ার্ড এবং মিদ্দাবাড়ি বাস স্ট্যান্ড দক্ষিণ ৬৩ নং ওয়ার্ড।
গতকাল টিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, টিসিবির একটি ট্রাক থেকে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই লিটার বোতলজাত ভোজ্যতেল, এক কেজি চিনি ও দুই কেজি মসুর ডাল কিনতে পারবেন। এর মধ্যে প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১৩০ টাকা, প্রতি কেজি চিনি ৮০ টাকা ও মসুর ডাল ৭০ টাকা দরে বিক্রি করা হবে। সব পণ্য একসঙ্গে কেনার জন্য একজন ক্রেতার খরচ হবে ৪৮০ টাকা।
বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত ভোজ্যতেল ১৯৯ টাকা, প্রতি কেজি চিনি ১০৫-১১০ টাকা এবং মসুর ডাল ১০০-১০৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজার থেকে এসব পণ্য কিনতে লাগে ৭০৩-৭১৮ টাকা।
সারা দেশে মোট ৭২০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরী ও জেলায় ৫০টি ট্রাকে, চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলায় ২০টি ট্রাকে, অন্য ছয়টি বিভাগীয় শহর ও জেলায় ১৫টি করে এবং অবশিষ্ট ৫৬টি জেলায় ১০টি করে ট্রাকে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে।
টিসিবি জানায়, প্রতিদিন প্রতিটি ট্রাক থেকে গড়ে ৪০০ জন মানুষ পণ্য কিনতে পারবেন। এভাবে ১০ দিনের এই কার্যক্রমে প্রায় ২৮ লাখ ৮০ হাজার উপকারভোগীর কাছে ১৩ হাজার ৯৩৯ টন পণ্য পৌঁছানো হবে। পাশাপাশি টিসিবির নিয়মিত স্মার্ট কার্ডধারী পরিবারের মধ্যেও পণ্য বিক্রি করা হবে।










