তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে রায় হয়ে গেছে। এখন এ সরকারের উচিত যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় গণহত্যাকারীকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা।’

গতকাল রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প বা উদ্যোগ (এমএসএমই) দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম এ কথা বলেন। ন্যাশনাল এসএমই অ্যাসোসিয়েশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরো বলেন, ‘আমি মনে করি, এটাও দেশের স্থিতিশীলতার জন্য বড় একটা উদ্যোগ হবে। এ সরকারের দ্রুত রায়টি কার্যকর করা উচিত। এছাড়া অন্য কোনো পরিকল্পনা যদি কেউ ভাবে, তাহলে সেটা কারো জন্যই ভালো হবে না।’

এ সময় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যারা অংশগ্রহণ করেছে, রাজনৈতিকভাবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য তারা প্রস্তুত আছে। দেশের স্বাধীনতা,–সার্বভৌমত্ব, অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য আমরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী আশিকিন আলম। এতে সারা দেশ থেকে আসা বিভিন্ন উদ্যোক্তা অংশ নেন।

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার যদি কোনো ধরনের পাঁয়তারা হয় আর সরকার যদি সেটাকে প্রশ্রয় দেয়, এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন সরকারই হবে।’

শেখ হাসিনা নিজের দলের নেতাকর্মীদের ত্যাগ করে দিল্লিতে পালিয়ে গেছেন বলেও মন্তব্য করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়। এটা দিল্লির নিয়ন্ত্রিত একটা দল। ফলে শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত নয়। দিল্লি থেকে তাকে যতটুক পারমিট করা হয়, পারমিশন দেয়া হয়, সে অনুযায়ী তিনি কথা বলেন।’

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘ফলে শেখ হাসিনা আসবেন কি আসবেন না, কীভাবে আসবেন, বিচার হবে কিনা—এটা মূলত দিল্লির সঙ্গে ঢাকার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বোঝাপড়ার ওপর নির্ভর করবে।’