ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও নারী যাত্রীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া টাকা, স্বর্ণালংকার ও ১৯টি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রহিমপুর গ্রামের সানোয়ার হোসেনের ছেলে সাব্বির (৩৪), আব্দুল হামিদ সরকারের ছেলে সিহাব সরকার (২৭) ও মৃত ইমান আলী শেখের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩৭)। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, রোববার রাতে সিরাজগঞ্জ থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করে টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। সাতদিন করে রিমান্ড আবেদন করে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ঢাকার আব্দুল্লাহপুর থেকে আল ইমরান পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে। পথে সাভারের নরসিংহপুর, বাইপাইল, আশুলিয়া থেকে কিছু যাত্রী ওঠেন। প্রায় ১০ নারীসহ ৩৮ যাত্রী নিয়ে বাসটি রাত সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা অতিক্রম করে। যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্তের সংযোগ সড়কের কয়েক কিলোমিটার যাওয়ার পর যাত্রীবেশে আট থেকে ১০ জন ছুরি, চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্রের মুখে চালকের কাছ থেকে বাসটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। চলাচলের সময় প্রত্যেক যাত্রীকে তল্লাশি করে মোবাইল, নগদ টাকা, স্বর্ণ ও অন্য মালামাল লুট করে। তারা বাসটি নিয়ে সাভারের চন্দ্রা-আশুলিয়া পর্যন্ত যায়। পরে রাতভর কয়েকবার বাসটি নিয়ে ওই এলাকা থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত চক্কর দেয়।










