এ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য সালাউদ্দিন আহমদও সাংবাদিকদের একই কথা বলেন।
গতকাল বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। গুলশানের বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের আলোচনার বিষয় নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
বৈঠক নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘রুটিন বৈঠকের অংশ হিসেবে এদিনের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও দলের সাংগঠনিক ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক এখতিয়ার। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে জাতীয় সংসদের স্পিকার অস্থায়ীভাবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইনানুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সে লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আয়োজন করতে জন্য প্রস্তুত আছে বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলেছে। ইসি তফসিল ঘোষণা করলে দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী কে হবেন, সে দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর ওপরই ন্যস্ত করেছেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করলে মনোনয়ন ফরম বিক্রি হবে এবং যাচাই-বাছাই হবে। বাছাইয়ের পর যদি সিঙ্গেল প্রার্থী হয় সেক্ষেত্রে আর নির্বাচন করতে হয় না। তবে একাধিক প্রার্থী হলে জাতীয় সংসদের জন্য একটি বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করার নিয়ম আছে।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ বছরের শেষের দিকে বা আগামী বছরের শুরুর দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি এবং সে হিসেবে প্রস্তুত আছি বলে ইতিপূর্বে এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেছেন।’
বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।










