বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কর্মা হামু দর্জি আজ সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় মন্ত্রী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় স্বল্প দূরত্বে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হতে পারে।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌর ও জলবিদ্যুৎ খাতে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত জিডিপি প্রায় ৫৯ ট্রিলিয়ন ডলার হলেও পারস্পরিক বাণিজ্য মাত্র ১ শতাংশের কাছাকাছি, যা সম্ভাবনার তুলনায় অত্যন্ত কম। এ অবস্থায় প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো জোরদার করা অপরিহার্য।
তিনি আরো বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে আঞ্চলিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। বিশেষ করে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় স্বল্প দূরত্বে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হতে পারে।
এদিকে ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কর্মা হামু দর্জি খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভুটানের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। এ সম্পর্ক আরো জোরদারে ভুটান আগ্রহী।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের বুড়িমারি সীমান্ত থেকে ভুটানের দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটারের কাছাকাছি। নিকটবর্তী দেশ হওয়ায় দুদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সুবিধাজনক ও লাভজনক। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, ভুটানের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোয় পড়াশোনা করতে আসেন এবং দেশে ফিরে স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখছেন। এতে দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়ও বাড়ছে।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তার এবং ভুটানের মিনিস্টার কাউন্সিলর (ট্রেড) দাওয়া শেরিং উপস্থিত ছিলেন।










