তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘‌কাদিয়ানি সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি ঢাকা ও লন্ডন থেকে মনিটর করে ঘটানো হয়েছে। রাসুলের (সা.) ইসলাম কখনো ইসলামের নামে অন্যের ঘরবাড়ি পোড়ানোর কথা বলেনি। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তারা ইসলামের শত্রু, রাজাকারের উত্তরসূরি।’

তিনি গতকাল পঞ্চগড়ে আহমদিয়া মুসলিম জামায়াতের বার্ষিক সালানা জলসা বন্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে ২-৪ মার্চ হামলায় আহমদিয়া মুসলিম (কাদিয়ানি) জামায়াতের বোদা উপজেলার ফুলতলা, শালশিরি, আহমদনগর এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর, দোকানপাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌হামলা পরিচালনা করার আগে থেকে উসকানি ছড়ানো হয়েছে। এ ঘটনার আগে শিবির পরিচালিত বাঁশের কেল্লা পেজ এবং কাদিয়ানি ঠেকাও নামে ফেসবুক পেজ থেকে কাদিয়ানিদের বিরুদ্ধে উসকানি ছড়ানো হয়েছে। এছাড়া বিএনপির সাবেক এমপি রুমিন ফারহানা ও হারুন উর রশিদের ফেসবুক পেজ থেকে উসকানি ছড়ানো হয়েছে। উসকানি ছড়িয়ে সংগঠিত করে এ হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। অর্থাৎ যারা সারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়, তাদের উসকানিতে এ হামলা। সে মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ হামলা পরিচালনা করা হয়েছে।’

তথ্যমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রেলপথমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম সুজন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধান উপস্থিত ছিল। 

পরে মন্ত্রী কাদিয়ানি অধ্যুষিত বাইতুল আফিয়্যাত মসজিদ প্রাঙ্গণে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট ও সালানা জলসার আহ্বায়ক আহমেদ তবশিরসহ আহমদিয়া মুসলিম জামাতের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় করেন।