মেহেরপুরে শেষ সময়ে আমন ধানে পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। বাদামি রংঙের গাছফড়িং চুষে খাচ্ছে ধান গাছের রস। কোনো কোনো ধানখেত হলদে হয়ে শুকিয়ে গেছে। এতে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষক।
মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় আমন ধানের আবাদ হয়েছে ২৬ হাজার ৮৪০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ অর্জিত হয়েছে।
মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিজয় কৃষ্ণ হালদার বণিক বার্তাকে বলেন, ‘প্রতিকূল আবহাওয়া কারেন্ট পোকা আক্রমণের জন্য দায়ী। তবে ধানের জমিতে প্রয়োজনীয় কীটনাশক প্রয়োগ ও প্রযুক্তির ব্যবহারে কারেন্ট পোকা দমন করা সম্ভব। আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি, যাতে ব্যাপক আকারে ক্ষতি না হয়।’
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, কারেন্ট পোকার আক্রমণে ধানখেত হলদে হয়ে গেছে। গত বছর বোরো মৌসুমে তাপদাহের কারণে ফলন বিপর্যয়ে পড়েছিলেন কৃষকরা। সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমন আবাদের জোর দিয়েছিলেন অনেকে। তবে এবার বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় কৃষক পড়েন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জে। সেই চ্যালেঞ্জের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে কারেন্ট পোকা।
গাংনী পৌর এলাকার শিশিপরপাড়া গ্রামের কৃষক মহির উদ্দীন বলেন, ‘ধানে হলদানি, কারেন্ট পোকাসহ বিভিন্ন রোগ দেখা দিয়েছে। এতে ফলন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। যে পরিমাণ ধান হওয়ার কথা, তার অর্ধেক উৎপাদন হতে পারে। বিঘাপ্রতি ১০-১২ মণ ফলন হতে পারে। তবে এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তারা সহযোগিতা করছেন না।’










