গতকাল বেলা আড়াইটায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ হয়।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ‘কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট’ (সিইপিএ) স্বাক্ষরের কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানানো হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, চুক্তিটি সম্পন্ন হলে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বহুলাংশে বাড়বে।

তারেক রহমান জাহাজ নির্মাণ, সেমিকন্ডাক্টর, ইলেকট্রনিকস, টেলিকম, অটোমোবাইল ও খেলনা শিল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বিশেষ করে জাহাজ নির্মাণ খাতে কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন ও ভাষা প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশে ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনের প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি এ খাতে অবদান রাখতে পারবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এরই মধ্যে অনেক কোরিয়ান কোম্পানি বাংলাদেশে সফলভাবে ব্যবসা করছে। ভবিষ্যতে আরো অনেক কোরিয়ান কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।’

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ অন্যরা।