২০১৮ সালে কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে দেয়া রায়ের মূল অংশ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। রায়ে বলা হয়েছে, সরকার চাইলে কোটার হার বা শতাংশ পরিবর্তন, পরিবর্ধন-পরিমার্জন করতে পারবে। রায়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতিদের জন্য কোটা পুনরুদ্ধার করতে বাংলাদেশ সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।  তবে সরকার চাইলে যে কোটার হার বা শতাংশ আছে তা কমাতে বা বাড়াতে পারবে। এছাড়াও যদি কোটার কোনো আসন ফাঁকা থাকে তবে মেরিট থেকে সরকার সে আসন পূরণ করতে পারবে।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিচারপতি খিজির হায়াত এবং কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ এ রায় প্রকাশ করেন। 

এর আগে কোটা পুনর্বহাল নিয়ে হাইকোর্টের দেয়া রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী ও রাষ্ট্রপক্ষ। এই আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের রায় চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করে রায় দেয় আপিল বিভাগ। 

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে কোটা পদ্ধতি বাতিল করা পরিপত্র কেন স্বেচ্ছাচারী ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, জানতে চাওয়া হয় রুলে। সে রুলে চূড়ান্ত শুনানির পর গত ৫ জুন মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন উচ্চ আদালত। এ রায়ের পর ফের কোটাবিরোধী আন্দোলনে নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা।