পরাজিত অপশক্তির ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক গণ–অভ্যুত্থানের
সাফল্য ও উদ্দেশ্য নস্যাৎ করে দিতে সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র চলছে। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট)
সকালে যুক্তরাজ্য থেকে এক ভিডিও বার্তায় তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের
পক্ষের শক্তির কাছে, গণতান্ত্রিক শক্তির কাছে বিনীত আহ্বান, আপনারা পরাজিত অপশক্তির
পাতা ফাঁদে পা দেবেন না। ছাত্র-জনতার গণ–অভ্যুত্থানকে
চূড়ান্ত সফলতায় নিতে হলে কেউ দখলদারত্বে লিপ্ত হবেন না, দখলদারত্বে সহায়তা করবেন
না, কেউ দুর্বলের ওপর আঘাত হানবেন না। কেউ আইন নিজেদের হাতে তুলে নেবেন না। প্রতিশোধ–প্রতিহিংসা
নয়, আসুন, একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে প্রত্যেকেই আরও দায়িত্বশীলতার
পরিচয় দিই। ’
গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘গণহত্যাকারী শেখ হাসিনা সংবাদপত্রের
স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিল। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণকারী হাসিনা পালিয়েছে। জনগণের
প্রত্যাশা, আপনারা নির্ভয়ে এই শব্দটি লিখবেন ‘‘হাসিনা পালিয়েছে’’। এর পরিবর্তে
কোনো গণমাধ্যম যদি ভিন্ন শব্দ প্রয়োগের অপকৌশল নেন, সেটি জনগণের কাছে আপনাদের বিবেকের
স্বাধীনতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে।’
গত ১৫ বছরে গুম, খুন, অপহরণ ও ‘আয়নাঘর’ নিয়ে অনুসন্ধানী
প্রতিবেদন করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আপনাদের
প্রতি আহ্বান, গত ১৫ বছরে যাঁরা গুম, খুন ও অপহরণের শিকার হয়েছেন, ছাত্র-জনতার বিপ্লবে
যাঁরা শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন, তাঁদের এবং তাঁদের পরিবারের দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে বিশেষ
অনুষ্ঠান প্রচার করুন। সাংবাদিক দম্পতি সাগর–রুনি হত্যা
মামলার তদন্ত এক যুগেও কেন শেষ হলো না, সে প্রশ্ন তুলুন। জনগণ আপনাদের কাছ থেকে আয়নাঘর
নিয়ে অনুসন্ধানী রিপোর্ট দেখতে চায়। হাসিনা দেশকে লুটেরা রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল,
জনগণ দুর্নীতির সেই সব চিত্র সংবাদপত্রে দেখতে চায়।’








