ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পদ্মা সেতুর নির্মাণ ইতিহাস তুলে ধরতে জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতু জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনার আওতায় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতাধীন পদ্মা সেতু সাইট অফিসে সেতু বিভাগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান ও শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পদ্মা সেতু বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে নির্মিত দেশের সর্ববৃহৎ সেতু। সেতুটির মোট দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিমি ও প্রস্থ ১৮ দশমিক ১০ মিটার। ২০০২-০৫ অর্থবছরে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন করা হয় এবং উক্ত সমীক্ষার সুপারিশের ভিত্তিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মাওয়া প্রান্তে সেতুর অ্যালাইনমেন্ট চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করেন। এ প্রেক্ষিতে ভূমি অধিগ্রহণসহ অন্যান্য কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়। নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত এ সেতু দেশের যোগাযোগ, বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, জাদুঘরটি নির্মাণের মাধ্যমে আমরা সেই রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব এবং প্রকৌশলবিদ্যার এই বিস্ময়কর যাত্রাকে সংরক্ষণ করছি। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এখান থেকে দেশপ্রেম ও স্বনির্ভরতার প্রেরণা পাবে। পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আজ যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হলো, তা এই সেতুর চারপাশকে একটি পরিবেশবান্ধব সবুজ বলয়ে পরিণত করবে।