ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন তার মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্তের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি এ আবেদন জমা দেন।
আপিল জমা দেয়ার পর মনিরা শারমিন সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচন কমিশন তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামীকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় শুনানির সময় নির্ধারণ করেছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের তিন বছর অতিবাহিত না হওয়ার আইনি কারণ দেখিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। তবে মনিরা শারমিন এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে দাবি করেন, সরকারি চাকরিতে তিনি যে পর্যায়ে কর্মরত ছিলেন, সেখানে নীতিনির্ধারণী কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তার ছিল না। ফলে তিনি মনে করেন না যে, এ কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া যৌক্তিক।
গত ২২ এপ্রিল জামায়াত জোটের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হলেও মনিরা শারমিনের চাকরি-সংক্রান্ত তথ্যের কারণে তার বাছাই কার্যক্রম একদিন স্থগিত রেখে পরে বাতিল করা হয়।
অন্যদিকে, জামায়াত জোটের আরেক প্রার্থী এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট বিলম্বে মনোনয়নপত্র দাখিল করায় তার আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। এ পরিস্থিতিতে জামায়াত জোটের জন্য বরাদ্দকৃত ১৩টি নারী আসনের মধ্যে একটি আসন কমে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আইন অনুযায়ী, ওই আসনটি উন্মুক্ত হিসেবে নতুন তফসিলে ভোট হতে পারে এবং সংসদে সদস্যসংখ্যা বেশি থাকায় আসনটি বিএনপি জোটের অনুকূলে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দুই দিনের বাছাই প্রক্রিয়া শেষে এখন পর্যন্ত বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১২ জন এবং স্বতন্ত্র মোর্চার একজনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে গণ্য হয়েছে।










