বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আগমনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে গড়ে তোলা হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়।
আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের পর নির্বাচন কমিশন ভবনে যাচ্ছেন তারেক রহমান।
তার আগমন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন ভবন, নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ও আশপাশের এলাকায় সেনাবাহিনী, র্যাব, আনসার ও পুলিশ সদস্যদের ব্যাপক মোতায়েন করা হয়েছে। আগারগাঁও এলাকায় রয়েছে বাড়তি সতর্কতা ও নজরদারি।
নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক হওয়ায় তারেক রহমান আজ ইসিতে এসে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এস এম হুমায়ুন কবীর জানান, আজ তারেক রহমানের আঙুলের ছাপ, চোখের মণির প্রতিচ্ছবি (আইরিশ) ও অন্যান্য বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এসব তথ্য কেন্দ্রীয় সার্ভারে আপলোড হওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি এনআইডি নম্বর জেনারেট হবে।
ডিজি হুমায়ুন কবীর বলেন, এ প্রক্রিয়ায় কোনো মানবিক হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। কারিগরি প্রক্রিয়ায় কারো ক্ষেত্রে ৫ ঘণ্টা, আবার কারো ক্ষেত্রে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় লাগতে পারে। তবে তারেক রহমানের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে যাতে তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এনআইডি পেয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেন।
তথ্য যাচাই ও অনুমোদনের পর সর্বনিম্ন ৭ ঘণ্টা থেকে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এনআইডি প্রস্তুত হয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।
আগামী ২৯ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন হওয়ায় তারেক রহমানের এনআইডি প্রাপ্তি নিয়ে নির্বাচন কমিশন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
২০০৭ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের সময় তারেক রহমান কারাগারে ছিলেন। ২০০৮ সালে জামিনে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে পাড়ি জমান তিনি। দীর্ঘ সাড়ে ১৭ বছর পর দেশে ফিরে এবার বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন।















