বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরও আন্দোলনের সময় তার ভূমিকার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।
এর আগে ভিসি ও প্রক্টরকে পদে বহাল থাকতে ২১ দফা শর্ত দিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে ছিল— সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে ভিসির ক্ষমা চাওয়া ও প্রক্রিয়াধীন বিচারগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি। এছাড়া উপাচার্য থাকাকালীন কোনো রাজনৈতিক দলের পদে থাকতে পারবেন না এবং যে পদে আছেন তা থেকেও পদত্যাগের শর্ত দেয়া হয়।
শনিবার (১৭ আগস্ট) বেলা ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের
জীবনানন্দ দাশ কনফারেন্স হলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় উপাচার্য বলেন, আমি শিক্ষার্থীদের
কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। তোমরা আমার পরিবার, পরিবারের কাছে ক্ষমা চাওয়ায় লজ্জা নেই
বরং আন্তরিকতার পরিচায়ক। আমাদের অনেক ভুল, আমরা সেগুলো শুধরে নেব।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকদেরকে শিক্ষার্থীদের
ব্যাপারে আন্তরিক হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। উপাচার্য বলেন, যে ২২ দফা দাবি আমার কাছে
এসেছ, সেগুলোর কিছু কিছু এরই মধ্যে পূরণ করেছি। বাকিগুলোও দ্রুত পূরণের চেষ্টা করব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চলমান আছে জানিয়ে উপাচার্য বলেন, অতি দ্রুত ছাত্রসংসদের নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়া হবে না। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আমরা প্রতিটি ঘটনার তদন্ত করে বিচারের ব্যবস্থা করব।










