সপ্তাহের ব্যবধানে আবার বেড়েছে সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম। কয়েক সপ্তাহ স্থিতাবস্থায় থাকার পর এবার নতুন করে বেড়েছে চাল ও মাংসের দাম। গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খবর নিয়ে জানা গেছে, বস্তাপ্রতি সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে মোটা চালের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৪ টাকা। গত সপ্তাহে বিআর-২৮ চাল বিক্রি হয়েছে ৫৬ টাকায়, গতকাল তা বিক্রি হয় ৬০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি মিনিকেট ৭০-৭২, নাজিরশাইল ৭০-৭৫ ও বাসমতী ৯০-৯৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে তাদের কোনো হাত নেই, আড়ত থেকে সব ধরনের চাল বস্তাপ্রতি ২০০-৩৩০ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে তাদের।

ক্রমেই বেড়ে চলছে কাঁচামরিচের দাম। গতকাল কেজিতে ৩২০ টাকায় ঠেকেছে কাঁচামরিচের দাম। ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে টমেটো। ১০০ ছাড়িয়েছে বরবটি, বেগুন, করলা, কচুরমুখী, কাঁকরোল, চিচিঙ্গা ও ঝিঙ্গার দাম। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয়েছে ১০০-১১০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি বরবটি ১০০-১২০, করলা ১২০-১৪০, কচুরমুখী ১২০-১৬০ এবং কাঁকরোল, চিচিঙ্গা ও ঝিঙ্গা ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

স্বস্তি ফেরেনি পেঁয়াজ ও আলুর দামেও। বিভিন্ন বাজারে আজ প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১১০-১২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। আর প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকা দরে।

প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে ১৭০-১৮০ টাকার মধ্যে থাকার পর আবার ২০০ টাকায় পৌঁছে গেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, টানা কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির কারণে মুরগির দাম বেড়েছে। এছাড়া প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩২০, কক ৩৫০ ও লেয়ার ৩৩০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে দেশী মুরগির দাম রাখছে ৬৫০-৬৮০ টাকা। অন্যদিকে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৮০ ও খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির পাশাপাশি আরেক দফা বেড়েছে ডিমের দামও। প্রতি ডজন ডিম ১৫০-১৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বেড়েছে মাছের দামও। গতকাল বাজারে প্রতি কেজি চাষের পাঙাশ ও তেলাপিয়া ২৫০-৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতি কেজি রুই ৩৫০-৫০০, কাতলা ৩৮০-৪০০, শিং ৪০০-৪৫০, টেংরা ৫৫০-৬০০, পাবদা ৪৮০-৫০০, চিংড়ি ৭০০ ও বোয়াল ৭০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।