ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনীর ৭০ শতাংশ ভোট কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। সদর আসনেই ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র সবচেয়ে বেশি। প্রশাসনিক ভাষায় ভোট কেন্দ্রগুলোকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। সেগুলো হচ্ছে সাধারণ, গুরুত্বপূর্ণ ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে পুলিশের ভাষায় বলা হয়ে থাকে গুরুত্বপূর্ণ ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
প্রশাসনের একাধিক সূত্রে জানা যায়, ফেনীর তিনটি সংসদীয় আসনে ৪২৮টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রের ১২৫টিকে সাধারণ কেন্দ্রের ক্যাটাগরিতে রেখেছে প্রশাসন। বাকি ২৪৮টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ও ৫৫টিকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ফেনী-১ আসনে ১২১টি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১২টি সাধারণ, ৮৪টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ২৫টি কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে ফেনী-২ অর্থাৎ সদর আসনে। ১৪৬টি কেন্দ্রের মধ্যে আটটি সাধারণ, ১৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ ও সাতটি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকায় রাখা হয়েছে।
এছাড়া ফেনী-৩ আসনে ১৬১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৫টি সাধারণ, ৩৩টি ঝুঁকিপূর্ণ ও তিনটি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। দাগনভূঞা উপজেলায় ৭৮টি কেন্দ্রের ৪৮টি সাধারণ, ১৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ১৫টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে। সোনাগাজীতে ৮৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৭টি সাধারণ, ১৮টি ঝুঁকিপূর্ণ ও আটটি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তবে সব কেন্দ্রেই এবার নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করতে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ব্যাপারে ফেনীর পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলো বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে আমরা বদ্ধ পরিকর।’










