মানিকগঞ্জের যুবলীগ নেতা শহিদুর রহমান ওরফে ভিপি শহীদ ও তার স্ত্রী নারগীছ আক্তারের নামে দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের দুজনের নামে তিন কোটি ৪৮ লাখ ২২ হাজার টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সহকারী পরিচালক আল-আমিন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) মামলা দুটি দায়ের করেন।

শহীদুর রহমানকে আসামি করা মামলার এজাহারে অভিযোগ আনা হয়, তিনি জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ৫৫ লাখ ৭২ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রেখেছেন। যা দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় অপরাধ।

আরেকটি মামলায় নারগীছ আক্তারকে প্রধান আসামি ও তার স্বামীকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়। এজাহারে অভিযোগ আনা হয়, স্বামীর জ্ঞাত আয় বহির্ভূত আয়কে বৈধতা দিতে তিনি সহযোগিতা করেছেন। তিনি ২ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন। যা দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় অপরাধ। তার এ সম্পদের মধ্যে তিনি দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৩০ লাখ ৭৮ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। যা দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারা ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অপরাধ।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, যুবলীগ নেতা শহিদুর রহমান ওরফে ভিপি শহীদ ঠিকাদারি ব্যবসা, জমি বেচা-কেনার মধ্যস্থতা করেন। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য শিল্পী মমতাজ বেগমের অনুসারী।