সকাল থেকেই ঢাকায় শুরু হয় ঝুম বৃষ্টি। আকাশে মেঘের গর্জনের সঙ্গে বৃষ্টিও বেড়েই চলছে। কমেছে তাপমাত্রা। এতে করে বিপাকে পড়েছেন ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়া পরীক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। টানা বৃষ্টির কারণে সড়কে যানবাহন কম থাকায় ভিজে ভিজেই গন্তব্যে যাচ্ছেন অনেকে। কেউ কেউ ছাতা ব্যবহার করলেও তুমুল বৃষ্টিতে ভিজে একাকার। এছাড়া, বিভিন্ন সড়কে জমে থাকা হাঁটু পানিতে ভোগান্তি বেড়েছে। শুক্রবার (১২ জুলাই) মধ্যরাত থেকেই ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। এরপর ভোর ৫টার দিকে আবারও বৃষ্টি ঝরতে শুরু করে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বৃষ্টি পড়ছ
রাজধানীর ফার্মগেট, বিজয় সরণী, কারওয়ান বাজার, মিরপুর, পান্থপথ, মধ্যবাড্ডা ও মেরুল বাড্ডা এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি সড়কে ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে সড়কে তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। বৃষ্টিতে বেশি বিপাকে পড়েছেন ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়া চাকরিপ্রার্থীরা। সকাল ৯টা থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে অনেকেই যথাসময়ে বাসা থেকে বের হতে পারেননি। কেউ কেউ বের হলেও সড়কে পর্যাপ্ত যানবাহন না থাকায় বিপাকে পড়ছেন। এই সুযোগে সিএনজি-রিকশাচালকরা ভাড়া দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। বাধ্য হয়ে বেশি ভাড়ায় গন্তব্যে যেতে হচ্ছে যাত্রীদের।
রাজধানীর তিতুমীর কলেজ কেন্দ্রে নিবন্ধন পরীক্ষার সিট পড়েছে সাবিনা ইয়াসমিন রুমির। বৃষ্টির মধ্যে ৮টার দিকে বাসা থেকে বের হয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, সকাল ৭টা থেকে প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, এতো বৃষ্টিতে বের হওয়ার কোনও উপায় দেখছিলাম না। অবশেষে বৃষ্টির মধ্যেই বের হতে হয়েছে। বাসা থেকে মূল সড়ক পর্যন্ত কোনও রিকশা নেই, তাই হাঁটু পানি ডিঙিয়ে হেঁটে আসতে হয়েছে।
মৌটুসি নামের অফিসগামী পথচারী বলেন, সকাল নয়টায় অফিস। বৃষ্টি দেখে ১ ঘণ্টা হাতে নিয়ে বের হয়ে এখনো অফিস যেতে পারে নি। এরই মধ্যে ১০ টা বাজে। ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়ায় সড়কে যানজট তৈরি হয়েছে। মূল রাস্তায় হাঁটু পানি। হেঁটে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। রিকশায় ৫০ টাকার ভাড়া ১২০ টাকা। এমন অবস্থা জানলে আজকে বেরই হতাম না।










