এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ওয়াইডব্লিউসিএ উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সেন্ট গ্রেগরি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ ও সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রায় সব’কটিতেই অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলমান।

মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আদনান ফারাবী গতকাল বলে, ‘আজ (রোববার) আমাদের অষ্টমসহ আরো কয়েকটি শ্রেণীর অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা ছিল। তবে বৃষ্টির কারণে সকালে পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেয়া হয়।’

ওয়াইডব্লিউসিএ উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গতকালের সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। স্থগিত এসব পরীক্ষার সময়সূচি পরে জানানো হবে।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নোটিসে বলা হয়েছে, রোববারের নবম শ্রেণীর অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা, দশম শ্রেণীর প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা ও একাদশ শ্রেণীর ব্যবহারিক পরীক্ষা স্থগিত করা হলো। স্থগিত পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি পরে জানিয়ে দেয়া হবে।

সেন্ট গ্রেগরি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষও নোটিসে জানিয়েছে, ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে স্কুল ও কলেজের সব শ্রেণীর ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করা হলো।

সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের বারিধারা শাখার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও টানা ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ১২ জুলাইয়ের নির্ধারিত সব পরীক্ষা ও সব শ্রেণীর পাঠদান স্থগিত করা হলো। পরবর্তী সময়ে পরীক্ষার সময়সূচি ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা জানিয়ে দেয়া হবে।

ভারি বর্ষণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, শিক্ষক ক্লাব, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ, নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, নীলক্ষেত এলাকা, পলাশীর মোড়, কুয়েত-মৈত্রী, শহীদুল্লাহ হলসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারি বৃষ্টিপাত ও জলাবদ্ধতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, বাংলা, উদ্ভিদবিজ্ঞানসহ কয়েকটি বিভাগের ক্লাস বাতিল করা হয়।

এদিকে ভারি বৃষ্টিপাত ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষাও পিছিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছিল শিক্ষার্থীদের একাংশ। বিষয়টি নিয়ে গতকাল দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আজকে (গতকাল) আমরা গভীর পর্যবেক্ষণে আছি এবং কিছুক্ষণের মধ্যে আবারো বসব। কোথাও পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না হলে তা অবশ্যই স্থগিত করা হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।’