আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের
প্রক্টরের (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকীর পদত্যাগ ও কোটা প্রসঙ্গে ২০১৮ সালের পরিপত্র
পুনর্বহালের দাবিতে আবারও আন্দোলনে নেমেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে একটি
বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে আনসার ক্যাম্পের সামনে যায়। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সেখানে কিছুক্ষণ
অবস্থান করেন। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে গিয়ে গোল চত্বরে অবস্থান নেন।
বৃহস্পতিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আনসার ক্যাম্পের সামনে প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকী ও সহকারী প্রক্টর অমিত দত্তের সামনে পুলিশ শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ, মারধর ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে আটজন সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন ২৮ জন। যাদের মধ্যে নয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এই হামলার প্রতিবাদ শিক্ষার্থীরা বিকাল সাড়ে ৪টায় ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন। রাত এগারোটায় প্রক্টরের পদত্যাগসহ ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল রাখার দাবি ব্যক্ত করে অবরোধ তুলে নেন।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা প্রক্টরকে প্রতিরোধ করার ঘোষণা দেন। তারা বলেন, আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রক্টরকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও তিনি পুলিশের হামলা থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে পারেননি। উল্টো হামলার সময় পুলিশের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আমরা এমন প্রক্টরের পদত্যাগ চাই। আমরা চাই, আগামী দশ কার্যদিবসের মধ্যে যেন ১৮ এর পরিপত্র বহাল হয়ে সংসদে কোটা বিষয়ে স্থায়ী সমাধান হয়।










