বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের ফলে বরিশালের নদ-নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়েছে। নগরীর কীর্তনখোলা নদীতীরবর্তী কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে জোয়ারের পানিতে। এছাড়া প্লাবিত হয়েছে বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, স্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে সবসময়ই প্লাবিত হয় নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিজয়নগর ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডের খ্রিস্টানপাড়াসহ পলাশপুর, কেডিসি, চাঁদমারি বঙ্গবন্ধু কলোনি ও রূপাতলী। স্বাভাবিক জোয়ারেই এসব এলাকার বাসাবাড়ি ও সড়কগুলো কোমর পানিতে তলিয়ে যায়। নদীতে জোয়ার এলেই ভোগান্তিতে পড়ে এসব এলাকার ১০ হাজার মানুষ।
২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাইদুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘আর কত বলব এই দুর্ভোগের কথা! মেয়র আসেন, মেয়র যান, আমরা ভোগান্তিতে পড়ে থাকি। আমাদের দেখার কেউ নেই। খাল খননের সময় পাইলিং না করায় রাস্তা ভেঙে খালে পড়ে গেল। পত্রিকায় খবরও হলো। কিন্তু কোনো লাভ হলো না। সারা বছরই স্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় রাস্তাঘাট। সড়ক মেরামত বা উঁচু করার ব্যাপারেও কোনো পদক্ষেপ দেখি না।’
তিনি বলেন, ‘খাল খননের পরের অবস্থা তো আরো করুণ। এলাকার কাউন্সিলর বা মেয়র কেউ দেখতেও আসেননি। খননকৃত রূপাতলি খালের পাড়ের পাকা ও কাঁচা এক কিলোমিটার সড়ক এখন আমাদের গলার কাঁটা।’
পলাশপুরের বাসিন্দা শামিম আহম্মেদ বলেন, ‘হাঁটুসমান পানির মধ্য দিয়ে বাসায় আসা-যাওয়া করতে হয়। সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ এসব বিষয় নিয়ে ভাবেই না। আমরা সাধারণ মানুষ পানির মধ্য দিয়ে যাতায়াত করছি। দ্রুত সমস্যাটি সমাধান হওয়া দরকার।’
শিগগিরই এসব সড়কের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নগর ভবনের পাবলিক রিলেশন অফিসার আহসান উদ্দিন রোমেল।













