ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে রাজধানীর কলাবাগানে বর্জ্যের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনের (এসটিএস) আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন সংস্করণ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম এ উদ্বোধন করেন।

প্রশাসক বলেন, ব্যবস্থাপনার অদক্ষতার কারণে অতীতে এখানে দুর্গন্ধ ও যানজটে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। আজ থেকে সেই সমস্যাগুলো পেছনে ফেলে এটি একটি নান্দনিক স্থাপনায় পরিণত হলো।

তিনি আরো জানান, জনগণের সহযোগিতা পেলে এ মডেল অনুসরণ করে ডিএসসিসির প্রতিটি এসটিএসকে পর্যায়ক্রমে নান্দনিক রূপে সাজানো হবে।

এসটিএস উদ্বোধন শেষে ধানমন্ডি লেক ও তার আশেপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্য বিভাগের মোট ৬০০ কর্মী এ অভিযানে অংশ নেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

পরিচ্ছন্নতা অভিযানের সময় প্রশাসক বলেন, যেকোনো মূল্যে ধানমন্ডি লেকের পরিবেশ ও ভারসাম্য সংরক্ষণ করা হবে। লেকের যতটুকু জায়গা ইজারা দেয়া হয়েছে, ব্যবসায়ীদের ঠিক ততটুকু সীমানার মধ্যেই ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। ইজারার শর্ত ভঙ্গ বা সীমানা লঙ্ঘন করলে তাৎক্ষণিকভাবে ইজারা বাতিল করা হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শেখ রবিউল ইসলাম বলেন, ধানমন্ডি লেককে ঘিরে লাইব্রেরি, জিমনেসিয়াম ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে এ এলাকার 'ফুসফুস' খ্যাত লেকটিকে রক্ষা করবে ডিএসসিসি। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মশক নিধন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডিএসসিসি পূর্বের তুলনায় দৃশ্যমান উন্নতি করেছে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রশাসকের কঠোর তৎপরতার কারণেই বর্তমানে মশা নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক কার্যক্রম গতিশীল হয়েছে।

মূল অভিযানের পূর্বে একটি জনসচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। এতে ধানমন্ডি সোসাইটির সদস্যরা ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন।