এটি চার বছর মেয়াদি আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। চলতি মাসের শেষের দিকেই প্রতিষ্ঠানটিতে প্রথম শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে।
স্থানীয় শিক্ষা প্রকৌশল দপ্তর সূত্রের খবর, রংপুর নগরীর শালবন মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় প্রায় ৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নির্মিত হয়েছে। তিন একর জমির ওপর এ আধুনিক ক্যাম্পাসটি গড়ে তোলা হয়েছে। আগে এ জায়গা রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধীনে ছিল।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ‘চারটি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় রংপুরসহ সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহে একই ধরনের প্রতিষ্ঠান নির্মিত হচ্ছে। রংপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রথিশ চন্দ্র সেন জানান, রংপুরের প্রতিষ্ঠানের সব কাজ আগামী অক্টোবরের মধ্যে পুরোপুরি শেষ হবে।
নতুন এ ক্যাম্পাসে ছয় তলাবিশিষ্ট একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন এবং চার তলাবিশিষ্ট ছাত্রীনিবাস তৈরি করা হয়েছে। ২০০ আসনের ছাত্রীনিবাসে পাঁচটি পৃথক ব্লক রয়েছে। হলে শিক্ষার্থীদের জন্য রিডিং রুম, টিভি রুম ও ডাইনিং রুমের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পাসে শিক্ষকদের ডরমেটরি, অভ্যন্তরীণ সড়ক, ড্রেনেজ ও সাব-স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, প্রথম পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটিতে গ্রাফিক ডিজাইন ও আর্কিটেকচার টেকনোলজিতে ৫০ জন করে মোট ১০০ ছাত্রী ভর্তি করা হবে। আগামী শিক্ষাবর্ষে আরো দুটি নতুন ট্রেড যুক্ত করে ১০০ শিক্ষার্থী বাড়ানো হবে। ভর্তি হওয়া সব শিক্ষার্থীকে প্রতি সেমিস্টারে বৃত্তি দেয়া হবে।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান জানান, ২০২২-২৬ সাল পর্যন্ত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্রীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ও অক্টোবরে ক্লাস শুরু হবে। এরই মধ্যে ২০ জন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বাকিদের নিয়োগ কাজ চলছে।










