ঝিনাইদহ-১ আসনের পাঁচবারের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আব্দুল হাই এমপি মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে ব্যাংককের স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। স্ত্রী, এক মেয়ে, দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন তিনি।
আব্দুল হাইয়ের জন্ম শৈলকুপা উপজেলার মহম্মদপুর গ্রামে। পিতা ফয়জুদ্দিন মোল্লা ও মাতা ছকিরন নেছা দম্পতির তিন ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে সবার ছোট তিনি। বসন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৬৮ সালে তৎকালীন মহকুমা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ১৯৬৯ সালে সরকারি কে সি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে। স্বাধীনতাবিরোধীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে জীবন বাজি রেখে তিনিই ঝিনাইদহে স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকা উত্তোলন করেন।
২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৫ সালে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হন আব্দুল হাই। এরপর ২০০৮ সালের নবম, ২০১৪ সালের দশম, ২০১৮ সালের একাদশ ও ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য হন তিনি। ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীসহ ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা।










