ইলিশ ক্রয়ের ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে ঋণের ১ কোটি ৯৭ লাখ ১৬ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় নোয়াখালীতে সোনালী ব্যাংকের চার কর্মকর্তাসহ পাঁচজনের ২৫ বছর করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
গতকাল দুপুরে জেলা স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক এএনএম মোরশেদ খান এ রায় দেন। রায়ের সময় আদালতে চার আসামি উপস্থিত ছিলেন। রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের স্ত্রী ও সন্তানদের সম্পদের হিসাব ও আয়ের উৎস তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সোনাপুর বিসিক শিল্প এলাকার মেসার্স ডলফিন সি ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের স্বত্বাধিকারী নিজাম উদ্দিন ফারুক, সোনালী ব্যাংক নোয়াখালী শাখার সাবেক এজিএম আব্দুল্লাহ আল মামুন, এওজি গ্রেড-২ (ক্যাশ) এমএ রহমান, সোনালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সামছুদ্দোহা নাহাদ। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো পলাতক আছে দুই আসামি।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে কোল্ডস্টোরেজে ইলিশ মাছ রেখে ব্যবসার জন্য ২০১২ সালের ১০ জুলাই সোনালী ব্যাংক থেকে ২ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করেন। পরে মাছ না ক্রয় করে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে ওই বছরের ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১৪টি চেকে ১ কোটি ৯৭ লাখ ১৬ হাজার ৭০০ টাকা উত্তোলন করেন। এর বিপরীতে ৫১ হাজার ৪৩৯ কেজি ইলিশ মাছ ক্রয় করে গুদামজাত করার কথা থাকলেও তা না করে সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেন। পরে এ ঘটনায় সোনালী ব্যাংক নোয়াখালী শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মোস্তাফা কামাল বাদী হয়ে সুধারাম থানায় সাতজনকে আসামি করে ২০১৭ সালের ২৩ অক্টোবর একটি মামলা করেন। পরে দুদকের তত্কালীন সহকারী পরিচালক মো. মশিউর রহমান তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ২৩ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।










