সময়োপযোগী ও বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে আরো লাভজনক ও যাত্রীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব।’

গতকাল সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়-সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর ২০৩৪-৩৫ অর্থবছরের মধ্যে মোট ৪৭টি উড়োজাহাজে উন্নীত করার সম্ভাব্য রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ লক্ষ্যে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে এ-সংক্রান্ত গৃহীত উদ্যোগগুলো নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় বিমানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে বিভিন্ন কারিগরি ও আর্থিক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘বোয়িং উড়োজাহাজ সংযোজনের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াগুলো দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে। সরবরাহ প্রক্রিয়ার সময়োপযোগিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই যেন নতুন উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হয়, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’ এ সময় প্রতিমন্ত্রী ঢাকা-নারিতা (জাপান) রুটে পুনরায় ফ্লাইট পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিশেষ দিকনির্দেশনা দেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।